01. ভালোবাসা দিলে কে মরে যায়?
উত্তরঃ
ভালোবাসা দিলে মা মরে যায়।
02. 'তাঁর পিঠে রক্তজবার মতো ক্ষত ছিল' বলতে কবি কী বুঝিয়েছেন?
উত্তরঃ
বাঙালি জাতির ওপর অত্যাচারের ইতিহাস ব্যক্ত করতে গিয়ে কবি প্রশ্নোক্ত উক্তিটি করেছেন। 'আমি কিংবদন্তির কথা বলছি' কবিতায় কবি আমাদের পূর্বপুরুষদের সম্পর্কে বলেছেন। শত্রুরা আমাদের পূর্বপুরুষের ওপর যে অত্যাচার ও নির্যাতন করেছিল তা এখনো তাজা রয়েছে বোঝাতেই রক্তজবার প্রসঙ্গ ব্যবহৃত হয়েছে। পরাধীনতার কারণে পূর্বপুরুষদের ওপর বারবার অমানুষিক অত্যাচার নেমে এসেছে। বিদেশি শত্রুরা আমাদের সাথে ক্রীতদাসের মতো আচরণ করেছে। পূর্বপুরুষদের পরাধীনতা ও তাদের সেই অত্যাচারের মাত্রা বোঝাতেই আলোচ্য চরণটির অবতারণা করা হয়েছে।
03. প্রবাহমান নদী কাকে ভাসিয়ে রাখে?
উত্তরঃ
প্রবহমান নদী যে সাঁতার জানে না তাকেও ভাসিয়ে রাখে।
04. "ভালোবাসা দিলে মা মরে যায়" বলতে কবি কী বোঝাতে চেয়েছেন?
উত্তরঃ
দেশমাতৃকার প্রতি কবির ভালোবাসার দিকটি কবিতায় প্রতিফলিত হয়েছে।
দেশাত্মবোধে উজ্জীবিত হলে দেশপ্রেমিকের চেতনায় দেশই মাতৃরূপে ফিরে আসে। আর চেতনায় দেশমাতাকে ধারণ করলে জন্মদাত্রী মায়ের আবেদন তার কাছে তুচ্ছ হয়ে যায়। প্রশ্নোক্ত উক্তিটি দ্বারা কবি এ কথাটিই বোঝাতে চেয়েছেন।
05. উনোনের আগুনে আলোকিত কিসের কথা বলা হয়েছে?
উত্তরঃ
উনোনের আগুনে আলোকিত একটি উজ্জ্বল জানালার কথা বলা হয়েছে।
06. 'বিচলিত স্নেহ' কথাটি দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে? ব্যাখ্যা কর।
উত্তরঃ
'আমি বিচলিত স্নেহের কথা বলছি- বলতে কবি আপনজনের আন্তরিক উৎকণ্ঠার কথাই বুঝিয়েছেন।
আবহমান কাল থেকে এদেশে পারিবারিক বন্ধন অত্যন্ত দৃঢ় ও মায়াময়। পরিবারে ছোটোদের প্রতি বড়োদের অকৃত্রিম স্নেহ ও মমতা কাজ করে। এই স্নেহ মমতার কোনো তুলনা চলে না। কবি তাই এদেশের ঐতিহ্যের কথা বলতে গিয়ে এই স্নেহ মমতার কথা বিশেষভাবে উল্লেখ করেছেন। 'বিচলিত স্নেহ' বলতে তিনি আপনজনের উৎকণ্ঠা তথা অকৃত্রিম স্নেহ-মমতার দিকটিকে বুঝিয়েছেন।
07. কারা ক্রীতদাস ছিল?
উত্তরঃ
আমাদের পূর্বপুরুষরা ক্রীতদাস ছিল।
০৪. দিগন্তের অধিকার বঞ্চিত' হওয়া বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
উত্তরঃ
দিগন্তের অধিকার থেকে বঞ্চিত' বলতে দিগন্তের সৌন্দর্য দেখা থেকে বঞ্চিত হওয়াকে বোঝানো হয়েছে। যে কবিতা শুনতে পছন্দ করে না, তাঁর মন অনুর্বর জমির মতো শুকনো, সেখানে কোনো আনন্দ সঞ্চারিত হয় না। ফলে দিগন্তের অপূর্ব সৌন্দর্যও তার মনে আনন্দের দাগ কাটবে না। 'দিগন্তের অধিকার থেকে বঞ্চিত' বলতে এটাই বোঝানো হয়েছে।
09. সুপুরুষ ভালোবাসার সুকণ্ঠ সংগীত কী?
উত্তরঃ
সুপুরুষ ভালোবাসার সুকণ্ঠ সংগীত কবিতা।
10. কবি পূর্বপুরুষদের ক্রীতদাস বলেছেন কেন?
উত্তরঃ
কবি তার পূর্বপুরুষদের ক্রীতদাস বলেছেন কারণ তারা পরাধীন ছিলেন। বাংলার ইতিহাস হাজার বছরের বঞ্চনার ইতিহাস, বাংলার ইতিহাস হাজার বছরের পরাধীনতার ইতিহাস। বাংলার মাটিতে যুগে যুগে বিভিন্ন বহিঃশক্তি এসেছে এবং শাসন করেছে। ফলে পূর্বপুরুষেরা নিজেদের মতো করে নিজেদের জমি ভোগ করতে পারেনি, তারা শাসক শ্রেণির আজ্ঞাবহ হয়ে জীবন কাটিয়ে দিয়েছে অর্থাৎ তারা শাসক শ্রেণির ক্রীতদাসের হয়েছিল। এজন্যই মূলত কবি তার পূর্বপুরুষদেরকে ক্রীতদাস বলেছেন।
11. কবির পূর্বপুরুষ কেমন জমি আবাদের কথা বলতেন?
উত্তরা
কবির পূর্বপুরুষ পতিত জমি আবাদের কথা বলতেন।
12. 'সূর্যকে উৎপিন্ডে ধরে রাখা' বলতে কবি কী বোঝাতে চেয়েছেন?
উত্তরঃ
'সূর্যকে হৃৎপিণ্ডে ধরে রাখা' বলতে কবি হৃদয়ে কবিতা ধারণকে বুঝিয়েছেন।
সূর্য সকল শক্তির উৎস। তাই এই সর্বশক্তির আধারকে হৃদয়ে ধারণ করতে পারলে মুক্তি অনিবার্য। কবির মতে, এই সামর্থ্য অর্জনের একমাত্র উপায় হলো কবিতা শোনা, কবিতাকে আত্মস্থ করা। কেননা, কবির কাছে শুধু কবিতাই সত্য, আর
সত্যই শক্তি। প্রশ্নোক্ত কথাটির মধ্য দিয়ে এ বিষয়টিই বোঝানো হয়েছে।
13. জননীর আশীর্বাদ কাকে ধন্য করবে?
উত্তরঃ
যে গাভীর পরিচর্যা করে, জননীর আশীর্বাদ তাকে ধন্য করবে।
14. "তার পিঠে রক্তজবার মতো ক্ষত ছিল" বলতে কবি কী বোঝাতে চেয়েছেন?
উত্তরঃ
কবির পূর্বপুরুষের পিঠে রক্তজবার মতো ক্ষত তাদের ওপর অত্যাচারের ইঙ্গিত বহন করে। কবির পূর্বপুরুষের ওপর শোষকরা যে অত্যাচার করেছে, তার চিহ্ন এখনও উজ্জ্বল। তাঁদের পিঠে রক্তজবার মতো লাল চিহ্ন বিদ্যমান। ভীরু শত্রুরা কাপুরুষের মতো পেছন থেকে আক্রমণ করেছে। বন্দি ক্রীতদাসের ওপর নির্মম অত্যাচার চালিয়ে রক্তাক্ত করেছে। এই বিষয়টি বোঝাতেই কবি তাঁর পূর্বপুরুষদের অত্যাচার সহ্য করে গ্লানিকর জীবনযাপন প্রসঙ্গে ইঙ্গিত করতে বলেছেন- 'তাঁর পিঠে রক্তজবার মতো ক্ষত ছিল'।
15. যে কবিতা শুনতে জানে না, সে সূর্যকে কোথায় ধরে রাখতে পারে না?
উত্তরঃ
হহৃৎপিন্ড
16. "যুদ্ধ আসে ভালোবেসে' ব্যাখ্যা কর।
উত্তর।
এখানে 'আত্মিক মৃত্যুর কথা বুঝানো হয়েছে। দেশমাতাকে ভালোবেসে যখন কেউ মায়ের কাছ থেকে বিদায় নেয়, তখন মায়ের মনে এক চরম বেদনা অনুভূত হয়। সেই বেদনা আরো দীর্ঘায়িত হয় যখন তারই ছেলে/মেয়ে যুদ্ধে মারা যায়। তখন মায়ের এক প্রকার 'আত্মিক মৃত্যু' ঘটে। দেশকে ভালোবাসলে দেশের মুক্তির জন্য যুদ্ধ করতে হয়। তাই বলা হয়েছে 'যুদ্ধ আসে ভালোবেসে।'
17. 'লালসালু' উপন্যাসে কোন লোকটির মাথায় যেন ছিট আছে?
উত্তরঃ
বৃদ্ধ লোকটি।
18. "গ্রামের একটি ব্যক্তি কিন্তু ব্যাপারটা পছন্দ করে না।" -কে, কেন?
উত্তরা
গ্রামের একটি ব্যক্তি কিন্তু ব্যাপারটা পছন্দ করে না- এখানে ব্যক্তিটি হচ্ছে আক্কাস। মজিদ অশিক্ষিত মানুষকে বোকা বানাচ্ছে। এটা আক্কাস পছশ করে না। কারণ সে একজন শিক্ষিত ছেলে। বিদেশ থেকে উচ্চ ডিগ্রি নিয়ে আসছে। এজন্য তিনি গ্রামের মানুষের জন্য স্কুল প্রতিষ্ঠা করার উদ্যোগ নেন।
19. 'কমলের চোখ' কোন ধরনের রচনা?
উত্তরা
'কমলের চোখ' একটি কাব্যগ্রন্থ।
20. সশস্ত্র সুন্দরের অনিবার্য অভ্যুত্থান কবিতা।'- ব্যাখ্যা করো।
উত্তরঃ
'সশস্ত্র সুন্দরের অনিবার্য অভ্যুত্থান কবিতা' বলতে মুক্তির লক্ষ্যে সশস্ত্র অভ্যুত্থানকে সুন্দর হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। মুক্তির জন্য চাই যুদ্ধ। চাই সশস্ত্র অভ্যুত্থান। বুদ্ধ মানুষের জীবনে মৃত্যু আর হাহাকার নিয়ে আসে, আবার নিয়ে আসে স্বাধীনতার সৌন্দর্য, মুক্তির আনন্দ। জাতীয় জীবনে স্বাধীনতা সর্বাগ্রে প্রয়োজন। তাই কবির মতে, সশস্ত্র অভ্যুত্থান সুন্দর দৃশ্য, যা কবিতার মতোই প্রাণসঙ্কারী ও শৈল্পিক। আলোচ্য লাইন দ্বারা এটাই বোঝানো হয়েছে।
21. 'কিংবদন্তি' শব্দের অর্থ কী?
উত্তরঃ
'কিংবদন্তি' শব্দের অর্থ জনশ্রুতি।
22. 'সে সূর্যকে হৃৎপিণ্ডে ধরে রাখতে পারে না।' কেন?
উত্তরঃ
'সূর্যকে হৃৎপিণ্ডে ধরে রাখা' বলতে কবি হৃদয়ে কবিতা ধারণকে বুঝিয়েছেন। সূর্য সকল শক্তির উৎস। তাই এই সর্বশক্তির আধারকে হৃদয়ে ধারণ করতে পারলে মুক্তি 'অনিবার্য। কবির মতে, এই সামর্থ্য অর্জনের একমাত্র উপায় হলো কবিতা শোনা, কবিতাকে আত্মস্থ করা। কেননা, কবির কাছে শুধু কবিতাই সত্য, আর সত্যই শক্তি। প্রশ্নোক্ত কথাটির মধ্য দিয়ে এ বিষয়টিই বোঝানো হয়েছে।
23. ইস্পাতের তরবারি কাকে সশস্ত্র করবে?
উত্তরঃ
যে লৌহখণ্ডকে প্রজ্জ্বলিত করে।
24. "ভালোবাসা দিলে মা মরে যায়।" ব্যাখ্যা করো।
উত্তরঃ
ভালোবাসা দিলে মা মরে যায়" বলতে বোঝানো হয়েছে পরিবারকে ভালোবেসে পরিবারের গণ্ডিতে আবদ্ধ থাকতে মাতৃভূমির ওপর নেমে আসে নির্মমতা। মা ও মাতৃভূমি একইসূত্রে গাথা। মাকে ভালোবেসে পরিবারের গণ্ডিতে আবন্ধ থাকলে দেশরক্ষা হয় না। দেশকে শত্রণর অক্রমণ থেকে রক্ষা করতে হলে মায়া, ভালোবাসার বন্ধনকে ছিন্ন করে শত্রু'র বিরুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে হয়। আর তা হলে দেশমাতার ভাগ্যে নির্ধারিত হয় মৃত্যু।
25. 'কিংবদন্তি' শব্দের অর্থ কী?
উত্তরঃ
'কিংবদন্তি' শব্দের অর্থ- জনশ্রুতি।
26. 'তাঁর পিঠে রক্তজবার মতো ক্ষত ছিল' বুঝিয়ে লেখো।
উত্তরঃ
বাঙালি জাতির ওপর অত্যাচারের ইতিহাস ব্যক্ত করতে গিয়ে কবি প্রয়োক্ত উক্তিটি করেছেন। 'আমি কিংবদন্তির কথা বলছি' কবিতায় কবি আমাদের পূর্বপুরুষদের সম্পর্কে বলেছেন। শক্তরা আমাদের পূর্বপুরুষের ওপর যে অত্যাচার ও নির্যাতন করেছিল তা এখনো তাজা রয়েছে বোঝাতেই রক্তজবার প্রসঙ্গ ব্যবহৃত হয়েছে। পরাধীনতার কারণে পূর্বপুরুষদের ওপর বারবার আমানুষিক অত্যাচার নেমে এসেছে। বিদেশি শত্রুরা আমাদের সাথে ক্রীতদাসের মতো আচরণ করেছে। পূর্বপুরুষদের পরাধীনতা ও তাদের সেই অত্যাচারের মাত্রা বোঝাতেই আলোহা চরণটির অবতারণা করা হয়েছে।
27. জিহ্বায় উচ্চারিত প্রতিটি সত্য শব্দ কী?
উত্তরঃ
জিহ্বায় উচ্চারিত প্রতিটি সত্য শব্দ কবিতা।
28. 'তাঁর পিঠে রক্তজবার মতো ক্ষত ছিল'- ব্যাখ্যা করো।
উত্তরঃ
বাঙালি জাতির ওপর আত্যাচারের ইতিহাস বাক্ত করতে গিয়ে কবি প্রয়োজ উক্তিটি করেছেন। 'আমি কিংবদন্তির কথা বলপ্তি' কবিতায় কবি আমাদের পূর্বপুরুষদের সম্পর্কে বলেছেন। পরাধীনতার কারণে পূর্বপুরুষদের ওপর বারবার অমানুষিক অত্যাচার নেমে এসেছে। পিঠে রক্তজবার মতো ক্ষত বলতে পূর্বপুরুষদের পরাধীনতাকেই নির্দেশ করা হয়েছে। বিদেশি শরুরা আমাদের সাথে ক্রীতদাসের মতো আচরণ করত। আর তাই, পূর্বপুরুষদের ওপর তাদের অত্যাচারের মাত্রা বোঝাতেই আলোচ্য চরণটির অবতারণা করা হয়েছে।
29. করতলে কী ছিল?
উত্তরঃ কবির পূর্বপুরুষের করতলে পলিমাটির সৌরভ ছিল।
30. কবি প্রবহমান নদীর কথা বলতে কী বোঝাতে চেয়েছেন? ব্যাখ্যা কর।
উত্তরঃ কবি প্রবহমান নদীর কথা বলতে মুক্ত জীবন ও সমৃদ্ধিকে বুঝিয়েছেন।
'আমি কিংবদন্তির কথা বলপ্তি' কবিতায় কবি তাঁর পূর্বপুরুষের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাসের কথা বলেছেন। এই কবিতায় তিনি ঐতিহ্যসচেতন শিকড়সন্ধানী মানুষের সর্বাঙ্গীণ মুক্তির কথা বলেছেন। এখানে প্রবহমান নদী মুক্ত ও স্বাধীন। আর তা জীবনদায়ীও বটে। কেননা নদী যে দিক দিয়ে বয়ে যায় সেই স্থানকে উর্বর ও বসবাস উপযোগী করে তোলে। এই কারণেই 'আমি কিংবদন্তির কথা বলছি' কবিতায় কবি মুক্ত জীবন ও সমৃদ্ধির প্রতি ইঙ্গিত করে প্রবহমান নদীর কথা বলেছেন।
31. 'আমি কিংবদন্তির কথা বলছি' কবিতায় 'কর্ষিত সামির প্রতিটি শস্যদানা' কী?
উত্তরঃ
'আমি কিংবদন্তির কথা বলছি' কবিতায় 'কর্ষিত জমির প্রতিটি শস্যদানা' এক-একটি, কবিতা।
32. 'আমি কিংবদন্তির কথা বলপ্তি' কবিতায় কবি তাঁর পূর্বপুরুষ সম্পর্কে কী বলেছেন?
উত্তরঃ
'আমি কিংবদন্তির কথা বলছি' কবিতায় করি তাঁর পূর্বপুরুষের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাসের কথা বলেছেন। 'আমি কিংবদন্তির কথা বলপ্তি' কবিতায় ঐতিহাসচেতন শিকড়সন্ধানী মানুষের সর্বাঙ্গীণ মুক্তির ঘোষণা উচ্চারিত হয়েছে। কবি এখানে বাঙালি সংস্কৃতির হাজার বছরের ইতিহাস, বাঙালির সংগ্রাম, বিজয় ও মানবিক দিক অনিন্দ্য উপস্থাপনায় তুলে ধরেছেন। কবির বর্ণিত এই ইতিহাস মাটির কান্তাকান্তি মানুষের ইতিহাস, বাংলার ভূমিজীবী অনার্য ক্রীতদাসের লড়াই করে টিকে থাকার ইতিহাস। কবি কবিতা ও. সত্যের অভেদ কল্পনার মধ্য দিয়ে প্রিয়জন ও পরিবারের কথা তুলে বারছেন। আর এই গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাসের সাথে মিশে আস্তে কবির পূর্বপুরুবেরা। কবি সেই কথাই বারবার বলেছেন।
Post a Comment